CLICK HERE......... your sayings.........

দৈনিক চোখের আলো

দৈনিক চোখের আলো পত্রিকায় আপনাকে স্বাগতম। জানতে বা জানাতে ইমেইল করতে পারেন:- dailycokheralo@gmail.com অথবা jahangir247bd@gmail.com অথবা সাথে থাকতে লাইক করতে পারেন ফেইসবুক পেইজ “দৈনিক চোখের আলো” https://www.facebook.com/dailycokheralo/ ম্যাসেঞ্জারে massage করতে https://m.me/jahangiralam.press ফেইসবুকে Follow করতে পারেন :- https://www.facebook.com/jahangiralam.press

Bdngladesh real time

share on social media

Share

Wednesday, August 24, 2016

প্রয়াত ভারতের রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালামের ১৫টি উক্তি আপনার ক্যারিয়ার পাল্টে দিতে পারে। সেগুলো হচ্ছে-
**************************************
১) ‘স্বপ্ন সেটা নয় যেটা তুমি ঘুমিয়ে দেখো। স্বপ্ন
সেটা যেটা তোমায় ঘুমোতে দেয় না।’
২) ‘সূর্যের মতো দীপ্তিমান হতে হলে প্রথমে
তোমাকে সূর্যের মতোই পুড়তে হবে।’
৩) ‘যদি তুমি তোমার কাজকে স্যালুট কর, দেখো
তোমায় আর কাউকে স্যালুট করতে হবে না। কিন্তু
তুমি যদি তোমার কাজকে অসম্মান কর, অমর্যাদা
কর, ফাঁকি দাও, তাহলে তোমায় সবাইকে স্যালুট
করতে হবে।’
৪) ‘যারা হৃদয় দিয়ে কাজ করতে পারে না; তাদের
অর্জন অন্তঃসারশূন্য, উৎসাহহীন সাফল্য চারদিকে
তিক্ততার উদ্ভব ঘটায়।’
৫) ‘প্রতিদিন সকালে এই পাঁচটা লাইন বলো :
– আমি সেরা।
– আমি করতে পারি।
– সৃষ্টিকর্তা সব সময় আমার সঙ্গে আছে।
– আমি জয়ী।
– আজ দিনটা আমার। ’
৬) ‘ভিন্নভাবে চিন্তা করার ও উদ্ভাবনের সাহস
থাকতে হবে, অপরিচিত পথে চলার ও অসম্ভব জিনিস
আবিষ্কারের সাহস থাকতে হবে এবং সমস্যাকে জয়
করে সফল হতে হবে। এ সকল মহানগুণের দ্বারা
তরুণদের চালিত হতে হবে। তরুণ প্রজন্মের প্রতি এই
আমার বার্তা।’
৭) ‘জীবন একটি কঠিন খেলা। ব্যক্তি হিসেবে
মৌলিক অধিকার ধরে রাখার মাধ্যমেই শুধুমাত্র
তুমি সেখানে জয়ী হতে পারবে।’
৮) ‘আকাশের দিকে তাকাও। আমরা একা নই। পুরো
মহাবিশ্ব আমাদের প্রতি বন্ধুত্বসুলভ। যারা স্বপ্ন
দেখে এবং কাজ করে শুধুমাত্র তাদেরকেই শ্রেষ্ঠটা
দেওয়ার জন্য চক্রান্তে লিপ্ত এই বিশ্ব।’
৯) ‘উৎকর্ষতা একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং এটি
কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়।’
১০) ‘যদি একটি দেশকে দুর্নীতিমুক্ত এবং সুন্দর
মনের মানুষের জাতি হতে হয়, তাহলে আমি দৃঢ়ভাবে
বিশ্বাস করি এ ক্ষেত্রে তিনজন সামাজিক সদস্য
পার্থক্য এনে দিতে পারে। তারা হলেন বাবা, মা
এবং শিক্ষক।’
১১) ‘সমস্যাকে কখনো এড়িয়ে যেতে চাইবে না।
বরং সমস্যা এলে তার মুখোমুখি
দাঁড়াবে। মনে রাখবে, সমস্যাবিহীন সাফল্যে
কোনো আনন্দ নেই। সব সমস্যার সমাধান আছ
১২) ‘জীবনের অভিজ্ঞতা দিয়ে মূলত চারটি গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়ের প্রতি আমি আলোকপাত
করি। সেগুলো হলো: জীবনের লক্ষ্য নির্ধারণ,
জ্ঞান আহরণ, অনেক বড় সমস্যায়
পড়লেও লক্ষ্য থেকে সরে না আসা এবং কোনো
কাজে সাফল্য ও ব্যর্থতা দুটোকেই নেতৃত্বগুণে
সামাল দিতে পারা।’
১৩) ‘এখন থেকে সবকিছুতে দেশের কথা মাথায়
রাখবে। কোনো স্বপ্ন দেখলে নিজের
সঙ্গে দেশকে নিয়েও দেখবে, কোনো চিন্তা করলে
দেশকে নিয়ে করবে আর কোনো কাজে মগ্ন হলে
দেশের জন্য করবে।’
১৪) ‘সমস্যাকে কখনো আমার ওপর চেপে বসতে দেব
না। যত কঠিন সময়ই আসুক না কেন, কখনোই হাল
ছেড়ে দেব না।’
১৫) ‘হতাশ না হয়ে নিজেকে স্বপ্নপূরণের কতটা
কাছাকাছি নিয়ে যেতে পারছ, সেদিকে
নজর রাখবে। কখনোই সাহস হারাবে না। নিজের
একটি দিনও যাতে বৃথা মনে না হয়,
সে চেষ্টা করো।’
হৃদয়ে রিংটুন
এম জাহাঙ্গীর আলম

ভালবাসা আছে মনে
কথা বলি তাই,
আসলে কি ভালবাসা
ঠিকঠাক পাই?

কথা হয় মুঠো ফোনে্
যখন তখন দিনে রাতে,
মন খুলে বলি কথা
কত মিনিট নাহি গুনে।

বারে বারে মিসকল
রিংটুন বাজে,
কল না করলে পরে
মন বসে না কাজে।

অতিরিক্ত করলে কল
ফুরিয়ে যায় কথা,
কম হলেও পাওয়া যায় না
পুরো স্বার্থকতা।

পুরে পুরে হৃদয়টা
হয়ে যায় নষ্ট,
একে অন্যের মনের কথা
বুঝতে হয় না কষ্ট।

স্বাদ আছে স্বাধ্য নাই
যখন তখন আসতে,
হতো জীবন মধুময়
সারাক্ষন যদি এমন ভালবাসতে
হিজল তলের স্মৃতি
এম জাহাঙ্গীর আলম

ফসলের মাঠ নদীর ধারে
নানা ফুলের সমাহারে,
মধুর মধুর শব্দ শুনি
মৌমাছির গুনগুনানি

ডাহুক পাখির ছানা
ধরতে তাকে মানা,
হিজল গাছের ডালে
নাচে তালেতালে

মৃদু মৃদু আসলে হাওয়া
শুরু হয় ফুল পরে যাওয়া,
পানির উপর পরলে ফুল
লহু বলতেও হবে না ভুল

ফুলের পাপড়ি ভিজে যখন
বৃষ্টি ভেজা পাখি তখন,
দেখতে লাজুক সখা
যেন মৃদু হাসি মাখা

ছোট ছোট পানি পোকা
ঘুরে ফিরে একা দুকা,
চলার গতি নয়কো মন্থর
দেখলে তাহা জুরায় অন্তর

পানিতে থাকা মাছের ঝাক
উপরে ওঠে ফাঁকেফাঁক
দেখতে তাহা নয়কো মন্দ
বদলে যায় দৃশ্যের ছন্দ
হিজল তলের স্মৃতিগুলো আজও মনে পরে
খেলার ছলে মেতে ছিলাম ফিরতে চাইনি ঘরে


সৌদির সন্ধ্যা
এম জাহাঙ্গীর আলম

চারিদিকে বালু আর ধূ-ধূ মরুভূমি
হঠাৎ দেখলে অবাক হয়ে যাবে তুমি
আঁকা বাঁকা রাস্তাগুলো কালো পিচ ঢালা
মনে হয় যেন ধরণীর বুকে কালো রঙ্গের মালা।

দু রাস্তার মাঝে মাঝে আছে ফুলের বাগান
সৌদির লোক এই মনে করে মহাবন আমাজান
শ্রমিকেরা পরিচর্যা করে তাহা গেয়ে গেয়ে গান।
ভেসে আসে আজানের ধ্বণি যেন ডাকছে মহামহিয়ান।

রাস্তার লাইট গুলো জ্বলে মিটিমিটি
আকাশের তারা যেমন জ্বলে শতকোটি
মন্ত্রীর মত দাড়িয়ে আছে খেজুরের পাটি
সৌদি হল পৃথিবীর সবদেশের খেজুরের ঘাটি।

যেখানেই আছে দোকানগুলো চলে বড় বেশ
রাস্তায় রাস্তায় গাড়ি গুলো চলার নাইকো শেষ
কাজশেষে রুমে আসি থাকে ক্লান্তি ক্লেশ
দেশের সব স্মৃতিগুলো সাহস যোগায় অনিমেষ।

গরমের সময় গরম থাকে শীতের সময় শীত
একেক দেশের ভাষাগুলো একেক দেশের গীত
কাজের শেষে রুমে আসলে জলদি আসে তন্দ্রা

এই হলো বিচিত্র সৌদির সন্ধ্যা।
সৌদির গ্রাম
এম জাহাঙ্গীর আলম

আকাশ পানে তাকিয়ে দেখি
কোথাও আর নেই যে বাকি
বালিয়ারির বালির খেলা
এ যেন এক অপার লীলা।

যায় না দেখা চারিপাশ
সাদা গয়ন পরছে ঘাস।
নেই কোথাও বিশাল কিছু
সবে মাত্র হচ্ছে শুরু।

এথাসেথা আছে মাঝড়া
মনে হয় এক বাংলার ধাপড়া।
ফসল হচ্ছে বার মাসই
চাষ করলেও নয়কো চাষী।

বেশি টাকার মালিক যারা
এসব মাঝড়ার মালিক তারা।
বীজ বুনে সব মেশিন দিয়ে
পানি সেচে পাম্প লাগিয়ে।

মেশিন দিয়ে কাটে ফসল
তারপর আসে উটের টহল।
বকরী দুম্বা কখনো আসে
বেদুইন থাকে তাদের পাশে।

আমরা করতাম পাশেই কাজ
যখন দিতাম কেবলের ভাজ।

দাড়িয়ে দাড়িয়ে দৃশ্য দেখতাম
সরে গেল ছাতা
এম জাহাঙ্গীর আলম

গাছটা বড় ফলটা ছোটা
ডাল গুলো তার নয়কো মোটা
দাড়িয়ে থাকে দম্ভ খোটা
পাখিটা লাল মাথায় ঝুটা।

ফল নিয়ে তার হল চিন্তা
কাটিয়ে দিল পুরো দিনটা
এত বড় গাছে কেন এত বড় ফল
মাথায় এসে পড়ল যখন হাড়িয়ে গেল বল।

একটু হলেই মরে যেতাম
এ ফল ছাড়া কিবা খেতাম
এখন বুঝি ঠিকই আছে
ছোট ফল ক্যান বড় গাছে

ছায়া পাই ফল পাই
আনন্দেতে খেয়ে যাই
যাবার বেলায় মেরে দেই ঘা
এ যেন এক অর্ঘ্যতে পা

আদর স্নেহ দিয়ে যায় কত বড় কায়া
সর্বক্ষন হৃদয়েতে আছে শুধু মায়া
খাওয়ার জন্য আছে মূল অনেক বড় মাথা
দুরে চলে গেলে তখন সড়ে যায় ছাতা



সবই আছে সুখ কোথায়
এম জাহাঙ্গীর আলম

মৃদু হাওয়ায় কাপছে ঝাউ গাছের পাতা
জীবনের তরে শূন্যই থেকে যাচ্ছে হিসাবের খাতা
প্রখর সূর্য্যের তাপে এলোমেলো কাপছে মাথা
কেউ নেই আদর সোহাগ করে বলবে কিছু কথা।

পায়ের তলায় ছড়ানো পাথর মটরের মত
একটু লাগলে অজান্তে হয়ে যায় ক্ষত।
ব্যথার আঘাতে মনে পরে স্মৃতি কত
ছোট বেলার স্মৃতির কাছে হয়ে যাই অবনত।

রাস্তায় রাস্তায় চলছে গাড়ি দুর্বার গতিতে
সবাই যাচ্ছে সবার বাড়ি ভুল নাই তাহাতে
হঠাৎ ভুল হলে কত কষ্ট পোহাতে হয় তাহাকে
পূর্বের জিনিস পায়না ফিরে ঠোকলে মাথা লোহাতে।

সবই আছে সবই রবে আমরা থাকব না
ভাই বোন সবই আছে সাথে বাবা -মা
মাঝে মাঝে কষ্ট লাগে  আছি অনেক দূরে
মনের চিন্তায় মাথা আমার পুনপুনিয়ে ঘুরে।

সম্পদ আছে চারিপাশে পাবে টাকা হলে
টাকা পেলে পৃথিবীতে সবার হৃদয় গলে
পকেটে টাকা নিয়ে ঘুরছি যেথাহেথায়

সবই আছে পাই না খুজে সুখ তুমি কোথায়।
মেয়ের নাম ইমা
এম জাহাঙ্গীর আলম
জানুয়ারীর উনিশ তারিখ বাজল দুপুর একটা
তোমায় দেখে মামুনি আমার ভরে গেল বুকটা
প্রথম যখন তোমায় আমি নিলাম আমার কুলে
আনন্দেতে হৃদয় আমার উঠল তখন দুলে
কি অপরূপ রূপে তোয়ায় বানায়াছে সাই
তোমার মত ফুলের পাপড়ি ধরাতে নাই
আদর করে তোমায় আব্বু নিয়ে গেল বাড়ি
দশ দিনের মাথায় আব্বু বিদেশে দেয় পারি
সারাজীবন থেকো তুমি তোমার আব্বুর বুকে
আল্লাহ যেন সর্বদা রাখে তোমায় সুখে
মায়ের কথা কোন দিনও যেও নাকো ভুলে
যে তোমায় পরিয়ে দিত রঙিন ফিতা চুলে
কত কষ্ট তোয়ায় নিয়ে করেছে তোমার মায়ে
ঋণ শোধ হবে না কিছুর বিনিময়ে
আদর করে আব্বু-আম্মু ইমা রাখল নাম
সারাজীবন রেখ তুমি তাদেরই সন্মান
বড় হয়ে মামুনি তুমি অনেক বড় হবে
তুমি বড় হলে মোদের আশা মিটবে তবে
সবসময় ভাল থেক সুস্থ্য রেখ মন
মনে রেখ তুমি মোদের সাত রাজারি ধন
সারাজীবন আল্লাহর পরে মোদের স্মরণ করো
দোয়া করি বড় হয়ে দেশের হাল ধরো
মায়ের দোয়া
এম জাহাঙ্গীর আলম

পাশের বাড়ির টিওবওয়েল থেকে
খাইতেছিলাম পানি
স্কুলেতে যাবে তুমি
বলল এসে সানি।

সানি হল চাচাত ভাই
ছিল বহুত মিশুক
সেই প্রথম দেখিয়ে ছিল
লেখাপড়ার সবক।

পরের দিন সকাল বেলা
খেয়ে পানতা ভাত
স্কুলেতে গেলাম চলে
পোহালো যে রাত।

প্রথম দিনে সবার সাথে
করলাম খেলাধূলা
মা বলল রেগেরেগে
কোথায় ছিলি পোলা?

বললাম আমি মাগো তুমি
করো অনেক দোয়া
প্রথম আমি শুরু করলাম
স্কুলেতে যাওয়া।

মা তখন আদর করে
দিয়ে ছিল ভাত
বড় হও তুমি বাবা

আল্লাহ আছে সাথে।
বিরহ একাকী
এম জাহাঙ্গীর আলম

হায়রে স্বদেশ -
কি কারনে তোরে ছাড়িয়া আসলাম বিদেশ।
সবই আছে-
মাস গেলেই টাকা পাই তবুও কি কাটে ক্লেশ।
সবাই ভাবছে-
মায়ার বাধন ছাড়িয়া আছি বেশ।
আসলে কি তাই-
এখনো কাটে নাই আমার ভালবাসার লেশ।
কিছুই হইবে না -
সারাজীবন থাকে যদি তোমার এই বেশ।
দেখবে তুমি -
অচিরেই সবকিছু হারিয়ে হয়ে যাবে শেষ।
আকাশে কালো মেঘ-
যেকোন সময় বৃষ্টি হয়ে ভাসাবে এ দেশ।
তবুও আশার আলো-
নীরবে নিভৃত্তে সাহস জাগায় অনিমেশ।
কালো জিনিস -
আকাশে উড়ে যেন কোন রমণীর কেশ।
বিরহ একাকী-

মনকে বুঝাই মন হয়োনা নিরেশ।
মা -বাবা আসল শিক্ষক
এম জাহাঙ্গীর আলম

মা ও বলে,বাবা ও বলে
বলবে সত্য কথা
চেষ্টা করি পালন করতে
খোয়াবো না বাবামায়ের মাথা।

ছোট হতে বড় হলাম
করলাম লেখাপড়া
এখন ভাবি আদেশ গুলো
ছিল বহুত কড়া।

স্কুল জীবন শেষে যখন
কলেজেতে যাই
মনে হত হয়েছি মানুষ
মা বলত হও নাই।

ধীরে ধীরে চলতে লাগল
আমার লেখাপড়া
বাবা ও বলত এভাবেতে
যায় না জীবন গড়া।

লেখাপড়ার পাশাপাশি
খোল জ্ঞাণের ভান্ডার
আপনাআপনি খোলে যাবে
তোমার মনের আন্দার।

সেই যে আমি পন করে
করলাম জীবন শুরু
যেভাবেই পাই সফলতা
মা-বাবাই আসল গুরু।



বাস্তবতা

এম জাহাঙ্গীর আলম

ছিল কিছু টাকা
গেলাম একদিন ঢাকা,
রাস্তা নয়কো ফাঁকা
দেখতে আঁকাবাঁকা

সকাল বেলা দশটার দিকে
পেটেতে ভাই অনেক ক্ষিদে,
তাড়াতাড়ি নাশ্তা খেতে
ঢুকলাম এক হোটেলেতে।

খাওয়ার আগে কষা হয়নি নাশ্তাপানির দর
খাওয়া শেষে দাম শুনিয়া লেগে গেছে ডর,
টাকা আছে অল্পকিছু বাকি দিব পর
হোটেলওয়ালা বলল রেগে ভাওতাভাজি তর

বুঝতে আমি পাইনি ভাই এত দামি খাবার
টাকা না থাকলে ভাই আসিব না আবার,
টাকা না দিয়ে তোমার মিলবে নাকো যাবার
দাও টাকা তাড়াতাড়ি পিটনি পরবে এবার।

পাই না খুজে কি করিব চিন্তা যায় বেড়ে
পেলাম এক ফোন নাম্বার নোট বুকটা নেড়ে,
কল দিয়ে বললাম আমি আস বন্ধু তেড়ে
টাকা না দিলে আইজ মাইর পরিবে ঘারে।

অবশেষে বন্ধু এসে পরিশোধ করে টাকা
দাম না জেনে নিও না কিছু জান এর নাম ঢাকা,
বাস্তবতায় না পরিলে খাবে অনেক ছ্যাকা

চলার আগে বুজে নাও ঘুরাও তোমার চাকা

Featured Post

প্রয়াত ভারতের রাষ্ট্রপতি এ পি জে আবদুল কালামের ১৫টি উক্তি আপনার ক্যারিয়ার পাল্টে দিতে পারে। সেগুলো হচ্ছে - *****************************...

Popular Posts